মেডিটেশন- ইয়গা কি এবং কেন প্রয়োজন আমাদের জন্য

1a7d4db2a72b94eeb0f49719fcf52ede

এটা এমন একটি শিল্প যা, আপনে নিজেই বুঝবেন যে আপনার মাঝে একটা পরিবর্তন এসেছে। মেডিটেশন হলো সচেতনভাবে দেহ মন এবং মস্তিষ্ককে শিথিল করার আধুনিক বৈজ্ঞানিক এবং সহজ প্রক্রিয়া। মেডিটেশনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শরীরকে শিথিল এবং মন ও মস্তিককে প্রশান্ত রাখতে পারি। ফলে টেনশন ও অস্থিরতা থেকে  মুক্ত হয়ে আমরা সচেতনভাবে দেহ-মনে সুখানুভূতি তৈরি এবং সবসময় তা উপভোগ করতে পারি। দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি কাজ করতে পারি আনন্দ নিয়ে, পেতে পারি জীবনে সহজেই সাফল্য। অর্থাৎ শারীরিক মানসিক বৈষয়িক প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রশান্তিতে থাকার জন্যে, মেডিটেশন হচ্ছে দেহমনে সে অবস্থা সৃষ্টির একটি সহজ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া।
যেমন, টেনশন। মেডিটেশনের প্রথম লাভই হলো টেনশনমুক্তি জীবন। বলা হয় টেনশন ও শিথিলায়ন একসাথে শরীরে থাকতে পারে না। যে শরীরের মাঝে টেনশন থাকে, সে শরীরে শিথিলায়ন থাকে না। আর শিথিল হলে টেনশন পালিয়ে যায়। আর আমরা এখন জানি, মনোদৈহিক শতকরা ৭৫ ভাগ রোগের কারণই টেনশন। তাই মেডিটেশন করলে আপনি অনায়াসেই শতকরা ৭৫ ভাগ মনোদৈহিক রোগ যেমন মাইগ্রেন, সাইনুসাইটিস, ঘাড়ে,পিঠে,কোমরে ব্যাথা এবং শরীরের যেকোনো স্থানে দীর্ঘদিনের ব্যথা, হজমের সমস্যা, আইবিএস, এসিডিটি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, অনিদ্রা প্রভৃতি রোগগুলো থেকে মুক্তি লাভ করতে পারবেন বা হলে নিরাময় হতে পারবেনআর অন্যান্য রোগ নিরাময়েও ওষুধ ও সার্জারির পাশাপাশি সুস্থ জীবন-দৃষ্টি এবং মেডিটেশন যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি মেডিটেশন করার মাধ্যমে শিখতে পারবেন গভীর  মনোযোগ ও অল্পসময়ে পড়া আয়ত্ত করার টেকনিক। একজন গৃহিণী হিসেবে আপনি মেডিটেশন করে পাবেন সুখী জীবন যাপনের আনন্দ। একজন পেশাজীবী হিসেবে সবসময় মাথা ঠান্ডা রেখে আপনি নিতে পারবেন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। আর একজন সফল মানুষ হওয়ার জন্যে মেডিটেশনে মনছবি চর্চা করে আপনি আপনার জীবনের যেকোনো না পাওয়াকে পরিণত করতে পারেন স্বতঃস্ফূর্ত পাওয়ায়।
আর ইবাদত উপাসনায় একাগ্রতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আধ্যাত্মিকভাবে আপনি অগ্রসর হতে পারেন ধ্যানের পথ ধরে। এভাবে  প্রশান্ত মন, সুস্থ জীবন ও কর্মব্যস্ত সুখী জীবন যাপনের জন্যে আপনার প্রয়োজন মেডিটেশন করা চাই প্রতিদিন।
আপনি কিভাবে এটা শুরু করবেন?
খুব সাধারণ কিছু নিয়ম অনুসরণ করে আপনি অনায়াসেই হারিয়ে যেতে পারেন মেডিটেশনের গভীরে। ধ্যানের যে শক্তি তা কাজে লাগাতে পারেন দেহের স্বাস্থ্য উদ্ধারে, মেধার বিকাশে, সম্ভাব্য সংকট নিরসনে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে, চেতনার অভ্রভেদী বিস্তারে
মেডিটেশনের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে আপনাকে প্রথমেই বেছে নিতে হবে একটা শান্ত নিরিবিলি জায়গা যেখানে কিছুক্ষণ সময় আপনি নিজের মতো করে কাটাতে পারবেনপ্রথমেই সহজভাবে বসুনযেভাবে বসতে আপনি আরামবোধ করেনএটা আপনি মেঝেতে বা বিছানায় বা চেয়ারে বসতে পারেন
শুরু করার আগে আপনার যেকোনো একটি আনন্দের ঘটনা বা স্মৃতিকে মনে করার চেষ্টা করুনএবং মনে নিয়ে আসুন একটা আনন্দভাব
এবার হালকাভাবে চোখ বন্ধ করে করুনচোখের দুই পাতাকে ধীরে ধীরে জোড়া লেগে যেতে দিন,এবার নাক দিয়ে লম্বা দম নিন, আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুনদম নিতে নিতে আপনি ভাবতে পারেন প্রকৃতি থেকে অফুরন্ত প্রাণশক্তি আপনার শরীরে প্রবেশ করছে এবং আর দম ছাড়তে ছাড়তে ভাবতে পারেন শরীরের সকল দূষিত পদার্থ বাতাসের সাথে বেরিয়ে যাচ্ছে। এবার কিছুক্ষণ ধীরে ধীরে নাক দিয়ে দম নিন, ধীরে ধীরে নাক দিয়ে দম ছাড়ুন। এবার মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করুন দমের ওপর। মনের চোখে কল্পনা করুন বাতাস কীভাবে নাক দিয়ে ঢুকছে এবং  নাক দিয়ে বেরুচ্ছে। বাতাস স্বাভাবিকভাবে যাওয়া-আসা করুক নিঃস্বাসে । আপনি শুধু দমের প্রতি মনোযোগ দিন। এভাবে কিছুক্ষণ দম নেয়া এবং দম ছাড়ার পর আপনি অনুভব করবেন যে আপনার শরীর শিথিল হয়ে আসছে।
এখন আপনি কল্পনা করুন একটা চমৎকার একটা প্রাকৃতিক পরিবেশ যেটাকে কল্পনা করলেই আপনার মন প্রশান্তি ও আনন্দে ভরে উঠবে।পুরা ব্যাপারটাকে  বলা যেতে পারে আপনার মনের বাড়ি। যে স্তরে মনের যেকোনো কল্যাণমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ব্রেনকে আপনি পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারবেন। যেমন আপনি মনে মনে বলতে পারেন, এখন থেকে আমার স্মৃতিশক্তি বাড়বে এবং সাথে আত্মবিশ্বাস ও সাহস বাড়বে তারপর  আমার মনোযোগ বাড়বে। শরীর ও মন সবসময় সুস্থ থাকবে।
এবার আপনার জেগে ওঠার পালা। কিছুসময় এটা ১০/ ১৫ বা ২০ মিনিটও হতে পারে-মনের এক চমৎকার প্রশান্ত অবস্থায় কাটিয়ে ওঠার পর আপনি মেডিটেশন থেকে বাস্তবে ফিরে আসবেন।
মেডিটেশন শুধু কি আধ্যাত্মিকতা সাধনার জন্যে?
হাজার বছর ধরে আমাদের এই উপমহাদেশে ধ্যান মেডিটেশন চর্চা হয়েছে আধ্যাত্মিকতা  সাধনার জন্যে। ফলে তখন মেডিটেশন সাধারণ মানুষের জীবনের অংশ হতে পারে নি। কোয়ান্টাম পদ্ধতিতে হাজার বছরের সেই শাশ্বত চর্চাকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করে পার্থিব জীবনকে সুন্দর করার উপায় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে আধুনিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত ব্যস্ত মানুষ মেডিটেশন চর্চা করে তাদের দৈনন্দিন জীবনে এই শাশ্বত উপকার লাভ করতে পারে।
সারা বিশ্বে আজ মেডিটেশনকে নানাবিধ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে,জার মধ্যে আছে, মানসিক প্রশান্তি, শারীরিক সুস্থতা, মেধার বিকাশের মাধ্যমে পেশাগত সাফল্য লাভের জন্যেই ব্যবহার করা হচ্ছে। ইউরোপ আমেরিকায় মেডিটেশন চর্চা করা হচ্ছে তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার মূল হিসেবে। উন্নত দেশগুলোতে শিল্প বাণিজ্য অর্থনীতি ক্ষেত্রে মেডিটেশন চর্চা করা হচ্ছে ব্যবসা সফল প্রাতিষ্ঠান হিসাবে।
কোয়ান্টাম মেথডের মাধ্যমে মেডিটেশন চর্চায় আরো দুটি মাত্রায় উপকৃত হওয়া যায়। তাহলো পারিবারিক সমৃদ্ধি ও আত্মার পরিশুদ্ধি। সুতরাং এভাবে মেডিটেশন শুধু মাত্র আধ্যাত্মিক প্রাপ্তির জন্যেই নয় বরং আধুনিক জীবনে মানসিক প্রশান্তি, শারীরিক সুস্থতা, বৈষয়িক সাফল্য এবং পারিবারিক সমৃদ্ধি লাভে অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফলতা সমৃদ্ধ এক উপভোগ্য জীবন প্রাপ্তির জন্যেই মেডিটেশন।

মেডিটেশন চর্চা করা খুব সহজ। কোয়ান্টাম মেথডে আপনি খুব সহজে শরীর ও মনের শিথিলায়নের মাধ্যমে মেডিটেশনের ধ্যানের জগতে পৌঁছে যেতে পারেন। এখানে আস্তে গেলে আপনার বিশেষ কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নাই আপনার , বাংলা ভাষাটাকে  বুঝতে পারলে এবং চেয়ারে বসে থাকার মতো শারীরিক যোগ্যতা থাকলেই হলো। নয় বছর থেকে নব্বই বছরের যে কেউ এ কোর্সে অংশ নিতে পারেন এবং নিজে নিজে  শিখতে পারেন তারপর নানাভাবে  উপকৃত হতে পারেন এবং উপভোগ করতে পারেন, এ কোর্সের মাধ্যমে এত সহজে আপনি মেডিটেশন শিখতে পারবেন যে, দৈনন্দিন জীবনে খাওয়া ঘুমানোর মতোই মেডিটেশন ও আপনার প্রতিদিনের কাজের অংশ হয়ে যাবে। ফলে নিয়মিত মেডিটেশন করা আপনার অজান্তেই পরিণত হবে আপনার দৈনন্দিন জীবনের জন্য একটি অবিচ্ছেদ্য সুএটা এমন একটি শিল্প যা, আপনে নিজেই বুঝবেন যে আপনার মাঝে একটা পরিবর্তন এসেছে। মেডিটেশন হলো সচেতনভাবে দেহ মন এবং মস্তিষ্ককে শিথিল করার আধুনিক বৈজ্ঞানিক এবং সহজ প্রক্রিয়া। মেডিটেশনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শরীরকে শিথিল এবং মন ও মস্তিককে প্রশান্ত রাখতে পারি। ফলে টেনশন ও অস্থিরতা থেকে মুক্ত হয়ে আমরা সচেতনভাবে দেহ-মনে সুখানুভূতি তৈরি এবং সবসময় তা উপভোগ করতে পারি। দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি কাজ করতে পারি আনন্দ নিয়ে, পেতে পারি জীবনে সহজেই সাফল্য। অর্থাৎ শারীরিক মানসিক বৈষয়িক প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রশান্তিতে থাকার জন্যে, মেডিটেশন হচ্ছে দেহমনে সে অবস্থা সৃষ্টির একটি সহজ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। যেমন, টেনশন। মেডিটেশনের প্রথম লাভই হলো টেনশনমুক্তি জীবন। বলা হয় টেনশন ও শিথিলায়ন একসাথে শরীরে থাকতে পারে না। যে শরীরের মাঝে টেনশন থাকে, সে শরীরে শিথিলায়ন থাকে না। আর শিথিল হলে টেনশন পালিয়ে যায়। আর আমরা এখন জানি, মনোদৈহিক শতকরা ৭৫ ভাগ রোগের কারণই টেনশন। তাই মেডিটেশন করলে আপনি অনায়াসেই শতকরা ৭৫ ভাগ মনোদৈহিক রোগ যেমন মাইগ্রেন, সাইনুসাইটিস, ঘাড়ে,পিঠে,কোমরে ব্যাথা এবং শরীরের যেকোনো স্থানে দীর্ঘদিনের ব্যথা, হজমের সমস্যা, আইবিএস, এসিডিটি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, অনিদ্রা প্রভৃতি রোগগুলো থেকে মুক্তি লাভ করতে পারবেন বা হলে নিরাময় হতে পারবেন। আর অন্যান্য রোগ নিরাময়েও ওষুধ ও সার্জারির পাশাপাশি সুস্থ জীবন-দৃষ্টি এবং মেডিটেশন যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি মেডিটেশন করার মাধ্যমে শিখতে পারবেন গভীর মনোযোগ ও অল্পসময়ে পড়া আয়ত্ত করার টেকনিক। একজন গৃহিণী হিসেবে আপনি মেডিটেশন করে পাবেন সুখী জীবন যাপনের আনন্দ। একজন পেশাজীবী হিসেবে সবসময় মাথা ঠান্ডা রেখে আপনি নিতে পারবেন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। আর একজন সফল মানুষ হওয়ার জন্যে মেডিটেশনে মনছবি চর্চা করে আপনি আপনার জীবনের যেকোনো না পাওয়াকে পরিণত করতে পারেন স্বতঃস্ফূর্ত পাওয়ায়। আর ইবাদত উপাসনায় একাগ্রতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আধ্যাত্মিকভাবে আপনি অগ্রসর হতে পারেন ধ্যানের পথ ধরে। এভাবে প্রশান্ত মন, সুস্থ জীবন ও কর্মব্যস্ত সুখী জীবন যাপনের জন্যে আপনার প্রয়োজন মেডিটেশন করা চাই প্রতিদিন। আপনি কিভাবে এটা শুরু করবেন? খুব সাধারণ কিছু নিয়ম অনুসরণ করে আপনি অনায়াসেই হারিয়ে যেতে পারেন মেডিটেশনের গভীরে। ধ্যানের যে শক্তি তা কাজে লাগাতে পারেন দেহের স্বাস্থ্য উদ্ধারে, মেধার বিকাশে, সম্ভাব্য সংকট নিরসনে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে, চেতনার অভ্রভেদী বিস্তারে। মেডিটেশনের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে আপনাকে প্রথমেই বেছে নিতে হবে একটা শান্ত নিরিবিলি জায়গা যেখানে কিছুক্ষণ সময় আপনি নিজের মতো করে কাটাতে পারবেন। প্রথমেই সহজভাবে বসুন। যেভাবে বসতে আপনি আরামবোধ করেন। এটা আপনি মেঝেতে বা বিছানায় বা চেয়ারে বসতে পারেন। শুরু করার আগে আপনার যেকোনো একটি আনন্দের ঘটনা বা স্মৃতিকে মনে করার চেষ্টা করুনএবং মনে নিয়ে আসুন একটা আনন্দভাব। এবার হালকাভাবে চোখ বন্ধ করে করুন। চোখের দুই পাতাকে ধীরে ধীরে জোড়া লেগে যেতে দিন,এবার নাক দিয়ে লম্বা দম নিন, আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। দম নিতে নিতে আপনি ভাবতে পারেন প্রকৃতি থেকে অফুরন্ত প্রাণশক্তি আপনার শরীরে প্রবেশ করছে এবং আর দম ছাড়তে ছাড়তে ভাবতে পারেন শরীরের সকল দূষিত পদার্থ বাতাসের সাথে বেরিয়ে যাচ্ছে। এবার কিছুক্ষণ ধীরে ধীরে নাক দিয়ে দম নিন, ধীরে ধীরে নাক দিয়ে দম ছাড়ুন। এবার মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করুন দমের ওপর। মনের চোখে কল্পনা করুন বাতাস কীভাবে নাক দিয়ে ঢুকছে এবং নাক দিয়ে বেরুচ্ছে। বাতাস স্বাভাবিকভাবে যাওয়া-আসা করুক নিঃস্বাসে । আপনি শুধু দমের প্রতি মনোযোগ দিন। এভাবে কিছুক্ষণ দম নেয়া এবং দম ছাড়ার পর আপনি অনুভব করবেন যে আপনার শরীর শিথিল হয়ে আসছে। এখন আপনি কল্পনা করুন একটা চমৎকার একটা প্রাকৃতিক পরিবেশ যেটাকে কল্পনা করলেই আপনার মন প্রশান্তি ও আনন্দে ভরে উঠবে।পুরা ব্যাপারটাকে বলা যেতে পারে আপনার মনের বাড়ি। যে স্তরে মনের যেকোনো কল্যাণমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ব্রেনকে আপনি পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারবেন। যেমন আপনি মনে মনে বলতে পারেন, এখন থেকে আমার স্মৃতিশক্তি বাড়বে এবং সাথে আত্মবিশ্বাস ও সাহস বাড়বে তারপর আমার মনোযোগ বাড়বে। শরীর ও মন সবসময় সুস্থ থাকবে। এবার আপনার জেগে ওঠার পালা। কিছুসময় এটা ১০/ ১৫ বা ২০ মিনিটও হতে পারে-মনের এক চমৎকার প্রশান্ত অবস্থায় কাটিয়ে ওঠার পর আপনি মেডিটেশন থেকে বাস্তবে ফিরে আসবেন। মেডিটেশন শুধু কি আধ্যাত্মিকতা সাধনার জন্যে? হাজার বছর ধরে আমাদের এই উপমহাদেশে ধ্যান মেডিটেশন চর্চা হয়েছে আধ্যাত্মিকতা সাধনার জন্যে। ফলে তখন মেডিটেশন সাধারণ মানুষের জীবনের অংশ হতে পারে নি। কোয়ান্টাম পদ্ধতিতে হাজার বছরের সেই শাশ্বত চর্চাকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করে পার্থিব জীবনকে সুন্দর করার উপায় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে আধুনিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত ব্যস্ত মানুষ মেডিটেশন চর্চা করে তাদের দৈনন্দিন জীবনে এই শাশ্বত উপকার লাভ করতে পারে। সারা বিশ্বে আজ মেডিটেশনকে নানাবিধ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে,জার মধ্যে আছে, মানসিক প্রশান্তি, শারীরিক সুস্থতা, মেধার বিকাশের মাধ্যমে পেশাগত সাফল্য লাভের জন্যেই ব্যবহার করা হচ্ছে। ইউরোপ আমেরিকায় মেডিটেশন চর্চা করা হচ্ছে তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার মূল হিসেবে। উন্নত দেশগুলোতে শিল্প বাণিজ্য অর্থনীতি ক্ষেত্রে মেডিটেশন চর্চা করা হচ্ছে ব্যবসা সফল প্রাতিষ্ঠান হিসাবে। কোয়ান্টাম মেথডের মাধ্যমে মেডিটেশন চর্চায় আরো দুটি মাত্রায় উপকৃত হওয়া যায়। তাহলো পারিবারিক সমৃদ্ধি ও আত্মার পরিশুদ্ধি। সুতরাং এভাবে মেডিটেশন শুধু মাত্র আধ্যাত্মিক প্রাপ্তির জন্যেই নয় বরং আধুনিক জীবনে মানসিক প্রশান্তি, শারীরিক সুস্থতা, বৈষয়িক সাফল্য এবং পারিবারিক সমৃদ্ধি লাভে অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফলতা সমৃদ্ধ এক উপভোগ্য জীবন প্রাপ্তির জন্যেই মেডিটেশন। মেডিটেশন চর্চা করা খুব সহজ। কোয়ান্টাম মেথডে আপনি খুব সহজে শরীর ও মনের শিথিলায়নের মাধ্যমে মেডিটেশনের ধ্যানের জগতে পৌঁছে যেতে পারেন। এখানে আস্তে গেলে আপনার বিশেষ কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নাই আপনার , বাংলা ভাষাটাকে বুঝতে পারলে এবং চেয়ারে বসে থাকার মতো শারীরিক যোগ্যতা থাকলেই হলো। নয় বছর থেকে নব্বই বছরের যে কেউ এ কোর্সে অংশ নিতে পারেন এবং নিজে নিজে শিখতে পারেন তারপর নানাভাবে উপকৃত হতে পারেন এবং উপভোগ করতে পারেন, এ কোর্সের মাধ্যমে এত সহজে আপনি মেডিটেশন শিখতে পারবেন যে, দৈনন্দিন জীবনে খাওয়া ঘুমানোর মতোই মেডিটেশন ও আপনার প্রতিদিনের কাজের অংশ হয়ে যাবে। ফলে নিয়মিত মেডিটেশন করা আপনার অজান্তেই পরিণত হবে আপনার দৈনন্দিন জীবনের জন্য একটি অবিচ্ছেদ্য সুঅভ্যাসে। তবে আপনি যদি কোয়ান্টাম মেথড কোর্সে এখনো অংশ গ্রহন না নিয়ে থাকেন তাহলেও আপনি মেডিটেশন করতে পারবেন। আপনি আজই শুরু করতে পারেন। ওয়েবসাইট থেকে মেডিটেশন ডাউনলোড করে এখুনি বসে যান। ধাপে ধাপে ধীরে ধীরে আপনি প্রবেশ করবেন এক অপার্থিব শান্তির জগতে। আর নিজেকে আবিষ্কার করবেন প্রশান্তি সুস্বাস্থ্য সাফল্যের পথে হাজারো সহযাত্রীর একজন হিসেবে। মেডিটেশন করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়? মেডিটেশনের উপকার এক কথায় বলতে গেলে বহুমুখী ও বিবিধ। নিয়মিত মেডিটেশন করার ফলে আপনার জীবন হবে আরো সহজ, আরো সুন্দর, আরো উপভোগ্য। আপনি পাবেন সুস্থ দেহ, প্রশান্ত মনও কর্মব্যস্ত সুখী জীবন। মেডিটেশন চর্চা করে আপনি কতভাবে উপকৃত হতে পারেন তার একটি তালিকা সংক্ষিপ্ত তালিকা এখানে সংযুক্ত করা হবে আমাদের অন্য একটি পোস্টে,তাই সাথে থাকতে ভিজিট করুন ।অভ্যাসে।
তবে আপনি যদি কোয়ান্টাম মেথড কোর্সে এখনো অংশ গ্রহন না নিয়ে থাকেন তাহলেও আপনি মেডিটেশন করতে পারবেন। আপনি আজই শুরু করতে পারেন। ওয়েবসাইট থেকে মেডিটেশন ডাউনলোড করে এখুনি  বসে যান। ধাপে ধাপে ধীরে ধীরে আপনি প্রবেশ করবেন এক অপার্থিব শান্তির জগতে। আর নিজেকে আবিষ্কার করবেন প্রশান্তি সুস্বাস্থ্য সাফল্যের পথে হাজারো সহযাত্রীর একজন হিসেবে।
মেডিটেশন করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়?
মেডিটেশনের উপকার এক কথায় বলতে গেলে বহুমুখী ও বিবিধ। নিয়মিত মেডিটেশন করার ফলে আপনার জীবন হবে আরো সহজ, আরো সুন্দর, আরো উপভোগ্য। আপনি পাবেন সুস্থ দেহ, প্রশান্ত মনও  কর্মব্যস্ত সুখী জীবন। মেডিটেশন চর্চা করে আপনি কতভাবে উপকৃত হতে পারেন তার একটি তালিকা সংক্ষিপ্ত তালিকা এখানে সংযুক্ত করা হবে আমাদের অন্য একটি পোস্টে,তাই সাথে থাকতে ভিজিট করুন ।
The following two tabs change content below.
আসুন সবাই মিলে ইয়গা-মেডিটেশন করি,মন থেকে অশুভ সব মুছে ফেলে এ সুন্দর পৃথিবীটাকে ভালবাসাই আরও সুন্দর করে তুলি
About ইয়গা সঞ্জিতা(Yoga Sanjita)

আসুন সবাই মিলে ইয়গা-মেডিটেশন করি,মন থেকে অশুভ সব মুছে ফেলে এ সুন্দর পৃথিবীটাকে ভালবাসাই আরও সুন্দর করে তুলি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

* Copy This Password *

* Type Or Paste Password Here *

166 Spam Comments Blocked so far by Spam Free Wordpress